চট্টগ্রাম-এর প্রবীণ বুযুর্গানে দ্বীন শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশের সন্ধানে শহর থেকে দূরে সরে গ্রাম অঞ্চলের ঝামেলা মুক্ত পরিবেশে বড় বড় জামিয়াগুলো প্রতিষ্ঠা করেছেন। ফলে শহরে বসবাসকারী দেশের অধিকাংশ বিত্তবান ও উচ্চ শ্রেণীর লোকেরা ধর্মীয় জ্ঞান ও উলামা মাশায়েখদের ছোহবত থেকে বঞ্চিত। আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় সমন্বিত শিক্ষাঙ্গনের অভাবে শহরবাসী শিশুরা ধর্মহীন কে.জি স্কুলে শিক্ষা লাভ করে নাস্তিক, ধর্মহারা ও আলিম ওলামা বিদ্বেষী হয়ে গড়ে উঠছে। তাই জামিয়ার দূরদর্শী ও স্বনামধন্য মহা পরিচালক আল্লামা শাহ জমীর উদ্দীন সাহেব রহ. অক্লান্ত পরিশ্রম সাধন করে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র নাছিরাবাদ ২নং গেইট সংলগ্ন চশমা পাহাড় এলাকায় ২৪ কাঠা জায়গার উপর প্রতিষ্ঠা করেছেন “সোলতানিয়া ইসলামিক একাডেমী” (জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া কমপ্লেক্স) নামে একটি বহুমুখী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এতে বর্তমানে রয়েছে আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বিত নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত কিন্ডার গার্টেন ও হিফয বিভাগ। ভবিষ্যতে উচ্চতর ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ, আরবী সাহিত্য বিভাগ ও তাজবীদ বিভাগসহ আরো বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ হাতে রয়েছে। একাডেমীর তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবন ছাড়াও বর্তমানে দশ কোটি টাকা ব্যয়ে দশতলা বিশিষ্ট একটি বিশাল ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। উক্ত ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় নির্মিত হয়েছে সুপ্রশস্ত একটি জামে মসজিদ। প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শনিবার বাদ আছর হতে একাডেমী প্রাঙ্গনে ইসলাহী জোড় ও দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে খতীবে ইসলাম আল্লামা শাহ্ জমীর উদ্দীন রহ.-এর সুযোগ্য ছাহেবযাদা ও জানশীন আল্লামা শাহ্ ছালাহ উদ্দীন পীর সাহেব নানুপুরী দা.বা. বয়ান করেন।