الجامعة الإسلامية العبيدية نانوفور

জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর

Jamia Islamia Obaidia Nanupur

আরবী সাহিত্য বিভাগের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কার্যক্রম

সকলের নিকট বোধগম্য যে, মুসলমানের জন্য সংবিধান হলো কুরআন-সুন্নাহ। আর কুরআন-সুন্নাহর মূল ভাষা হল আরবী। অতএব কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অর্জনের জন্য আরবী ভাষা চর্চার বিকল্প কোন পন্থা নেই। বিধায় ইসলামের স্বর্ণযুগ থেকে মুসলমানের মাঝে আরবী ভাষা ও সাহিত্য চর্চা খুব গুরুত্ব সহকারে হয়ে আসছে। আরবী ভাষা ও সাহিত্যচর্চা বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক পর‌্যন্ত সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরবী বিভাগ এবং ক্বওমী মাদরাসার পাঠ্যসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমান শতাব্দীর সূচনালগ্ন থেকে আরবী ভাষা ও সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্র ও পরিধি বিস্তৃতি লাভ করতে থাকে এবং এর জন্য পৃথক পাঠ্যসূচি, প্রতিষ্ঠান ও বিভাগ, ব্যক্তি পর‌্যায়ে এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক পর‌্যায়ে গড়ে ওঠে। আমাদের জামিয়া ওবাইদিয়াতেও উচ্চতর আরবী সাহিত্য বিভাগ চালু আছে।

উক্ত বিভাগের কার্যক্রম ও বৈশিষ্ট্য:

১. সুদক্ষ আরবী সাহিত্যবিদ দ্বারা পাঠদান।

২. সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম।

৩. মেধার শ্রেণীভেদের প্রতি যথাযথ লক্ষ্য করা।

৪. যুগোপযোগী পাঠদান পদ্ধতি অনুসরণ করা।

৫. মেধা বিকাশের লক্ষ্যে সৃজনশীলতার প্রতি মনযোগ প্রদান করা।

৬. শিক্ষকদের নিয়মিত তত্ত্বাবধান।

৭. সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক সেমিনারের আয়োজন করা। এছাড়াও দুর্বল ছাত্রদের জন্য বছরের প্রথমে রয়েছে আলাদা প্রশিক্ষণ: ক. নাহুর কাওয়ায়েদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে ইজ্জা করা। খ. কাওয়ায়েদগুলোর উপর পর‌্যাপ্ত অনুশীলন করা। গ. কুরআন-হাদীস থেকে ইড্রা ও তারকীবের ব্যবস্থা করা। ঙ. হস্তলিপি সুন্দর করা।

৮. প্রতিদিন প্রতিটি ক্লাসের সবক গুরুত্বের সাথে আদায় করা।

৯. ক্লাসের প্রতিটি সবকের উপর আরবী কথোপকথন তৈরি করা এবং তা মুখস্থ করা।

১০. ছুটির সময়ে সবাই আরবীতে কথোপকথন করা। (কয়েক মাস পরে তা বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়।)

১১. আধুনিক আরবী পাঠদান।

১২. বিভিন্ন আবেদন পত্র, মানপত্র ইত্যাদি রচনা শেখার ব্যবস্থা।

১৩. সময়ে সময়ে বিষয়ভিত্তিক আরবী প্রবন্ধ তৈরি করা এবং তা সেমিনারে পাঠ করা।

১৪. দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার পর নির্বাচিত বিষয়ের উপর গবেষণামূলক ১০০ পৃষ্ঠাব্যাপী একটি আরবী প্রবন্ধ তৈরি করা।

১৫. আরবী পত্রিকা পড়ার যোগ্যতা অর্জন করা।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

জ্ঞানপিপাসু মুসলিম সন্তানদেরকে কুরআন ও হাদীসের বিশুদ্ধ শিক্ষায় শিক্ষিত করে পৃথিবীতে একদল যোগ্য, সংশয়হীন, বলিষ্ঠ ঈমানদার, আবেদ ও নিষ্ঠাবান আল্লাহর প্রতিনিধি তৈরির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি যুগ ও সমাজের চাহিদা মোতাবেক বহুমুখী সেবা আঞ্জাম দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার হুকুমকে সমুন্নত রাখা ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এ বিভাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

Scroll to Top